গল্প : দ্য সিঙ্গেল মাদার (The Single Mother)

আমি একজন সিঙ্গেল মাদার। আমার ৬ বছর বয়সী কন্যা রাফাকে নিয়ে আলাদা থাকি। না, বাবা মা ভাই বোন কারো কাছে জায়গা হয়নি আমার। সবাই যে যার মত দায়িত্ব এড়িয়ে গেছে। অথচ একটা সময়ে তাদের কতই না সাহায্য করেছিলাম আমি।

ছোট ভাইটা বেকার ঘুরতো। বড় ভাসুরকে বলে একটা চাকরির ব্যবস্থা করেছিলাম। বাসা থেকে কত কষ্ট করে টাকা ম্যানেজ করে বাবাকে বন্ধকী জমিটা ছাড়িয়ে দিয়েছিলাম। যৌতুকের টাকার জন্য ছোট বোন লায়লার বিয়েটা প্রায় ভাঙতে বসেছিল। নিজের বিয়ের সমস্ত গহনা দিয়ে, সেভিংসের সব জমানো টাকা দিয়ে নিজের হাতে বোনটার বিয়ে দিয়েছিলাম। বড় বোন নায়লা আপা যখন চাকরি করতেন তার দুই ছেলে মেয়েকে দেখাশোনা করার জন্য আমাকে রেখেছিলেন। মায়ের মত সারাদিন আগলে রাখতাম ওদের। আজকে সেই বোন একটা বারও আমার মেয়েটার খোঁজ নেয়নি। বড় ভাবীর সিজারিয়ানের সময় প্রায় মরতে বসেছিলেন। ৪ মাসের প্রেগন্যান্সি নিয়ে ঢাকা থেকে ছুটে গিয়েছিলাম যশোর। রক্ত দিয়ে বাঁচিয়েছিলাম তাকে। আজকে সেই রক্ত বিরক্ত হয়ে গিয়েছে। ঘরেই ঢুকতে দেয়নি। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অন্যের সংসারের ঝামেলা উনি মাথায় নিতে পারবেন না। বড় ভাইও চুপ ছিল। বউয়ের পিছে পিছে উঠে চলে গেল।

আমরা ৫ ভাইবোন, সাথে বাবা মা। বিশাল পরিবার। কিন্তু আজকে আমার কেউ নেই। দুঃসময়ে রক্ত ও বেঈমানী করে।

শাহেদের সাথে বিয়ের প্রথম দিকে খুব সুখেই ছিলাম। কিন্তু এরপরই ওর জীবনে অন্য কেউ আসে। প্রথমে বিশ্বাস করতে পারিনি। কিন্তু একেরপর এক প্রমাণ যখন পেলাম, তখন কি করে আর অবিশ্বাস করি!! খুব ঝগড়া হতো এ নিয়ে। বাজে ভাষায় গালিগালাজ করতো আমাকে। ছোটবেলা থেকেই গালিগালাজ আমি সহ্য করতে পারিনা। প্রতিবাদ করতে গেলেই মার খেতাম। এরপর এটা নিয়মিত রুটিনে পরিণত হলো। বাপের বাড়িতে, আত্মীয় স্বজনদের কাছে নালিশ দিলাম। সবাই একই উপদেশ দিতো, “মানিয়ে নাও”

কালশিটে পড়া ক্ষত বিক্ষত শরীরের যন্ত্রনাটা কেউ বোঝেনি, হয়তো বুঝতে চায়নি। এরপর যখন প্রমাণ দেখালাম, ভেবেছিলাম এবার হয়তো তারা বিশ্বাস করবে। বিশ্বাস করেছে, আবার এও বলেছে, “কেমন মাইয়া হইছো যে নিজের সোয়ামী রে আঁচলে বাইন্ধা রাখতে পারো না?? আরেক বেটির কাছে যায় ক্যামনে!!”

এটা আমাদের সমাজের নিয়ম। মেয়ের জামাই যতই অন্যায় করুক না কেন মেয়ের পরিবার মেয়েকেই দোষারোপ করে ঠেলেঠুলে ঐ সংসারেই ফেরত পাঠাবে। একবারও বুঝতে চাইবে না,মেয়েটা কত যন্ত্রনার মধ্যে আছে!!

আমার অবস্থা ও হয়েছিল তেমন। সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছিলো তো সেদিনই যেদিন ঐ নষ্টা মেয়েটাকে ঘরে এনে তুলল। আর সহ্য করতে পারিনি। এক কাপড়ে মেয়েকে কোলে নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু কোথাও ঠাঁই হয়নি আমার। সবার মুখে একই কথা, “আরেকটু সহ্য করতে পারলে না??” “মেয়ে মানুষ এত অধৈর্য হলে চলে??”

তারা কি কখনো খোঁজ নিয়েছে, কতটা অমানুষিক যন্ত্রনার মধ্যে আমি ছিলাম!! একটা মেয়ে কতটা কষ্ট পেলে নিজের সংসার ত্যাগ করে আসে!!
সমাজ কখনোই জানবে না একটা মেয়েকে কতটা অমানুষিক যন্ত্রনা সহ্য করতে হয়। তারা শুধু জানে কীভাবে একটা অসহায় মেয়ের দিকে নোংরা আঙুল তুলতে হয়!!

জীবন যুদ্ধে একাই নেমে গেলাম, মেয়েকে বুকে চেপে। হন্যে হয়ে একটা চাকরি খুঁজছিলাম। কিন্তু কে দেবে চাকরি?? ইন্টার পাশের সার্টিফিকেট দিয়ে এই শহরে কি আর ভালো চাকরি পাওয়া যায়?? তবুও আশায় বুক বেঁধে ছিলাম, ছোটখাটো একটা চাকরি হলেই হবে। মা মেয়ের ঠিক চলে যাবে।

চাকরি সে তো সোনার হরিণ!! ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে কত লোলুপ দৃষ্টির শিকার হয়েছি,কত মোটা অঙ্কের অফার পেয়েছি!! না খেয়ে থেকেছি কিন্তু নিজেকে বিলিয়ে দেইনি।

অবশেষে এই পোড়া কপালে একটা চাকরি জুটলো। তাও পি এস এর পোস্ট। লোকে মেয়েদের এই পোস্টে চাকরি করা ভাল নজরে দেখে না। কিন্তু আমি নিরুপায়।

চাকরি তো জুটলো, কিন্তু বাসা ভাড়া নিতে গিয়েই পড়লাম বিপদে। পুরুষ মানুষ ছাড়া কোন যুবতী মেয়েকে তারা ঘর ভাড়া দিবে না। বললাম আমার একটা ছোট মেয়ে আছে। তখন তো আরো প্রশ্নের সম্মুখীন হলাম, মেয়ের বাবা কোথায়, সাথে থাকে না কেন, কত দিন ধরে আলাদা থাকি, কি সমস্যা… যত্তসব ফালতু বিরক্তিকর প্রশ্নের জবাব দিতে দিতে আমি ক্লান্ত। তারপর ও সব হাসিমুখে জবাব দিচ্ছি, যদি একটা ঘর ভাড়া পাই।

কিন্তু সবাই মুখের উপর না করে দিলো। এক মহিলার সাথে সাবলেট থাকতে চাইলাম। কিন্তু উনি মুখের উপর স্রেফ জানিয়ে দিলেন, আমি থাকলে নাকি তার সংসারে ঝামেলা হবে। অবশেষে এক মধ্যবয়সী মহিলার সাথে সাবলেট থাকার সুযোগ পেলাম। কিন্তু দুই মাসের বেশি থাকতে পারলাম না। আমার জন্য নাকি তার ছেলেরা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। ইমিডিয়েটলি বাসা ছাড়তে বললেন। বুঝতে পারছিলাম না, কি করবো, কোথায় যাবো?? কিন্তু আল্লাহর দুনিয়াটা অনেক বড়। কোথাও না কোথাও ঠিক ঠাঁই মিলে যায়। নতুন একটা পরিবারের সাথে সাবলেট থাকার সুযোগ পেলাম। তারা খুব ভাল মনের মানুষ। তাদের ও দুটো ছোট বাচ্চা ছিল। আমার মেয়েটাকে খুব কেয়ার করতো। তাদের কাছে রেখেই নিশ্চিন্তে অফিসে যেতে পারতাম।

অফিসের মধ্যবয়সী বসকে বাবার চোখে দেখতাম। কিন্তু কিছুদিন পর বুঝলাম উনি আমাকে কখনোই মেয়ের চোখে দেখেনি বরং তার উল্টোটা। এত নোংরামি সহ্য হয়নি। চাকরিটা দরকার ছিল, কিন্তু সম্মান বিসর্জন দিয়ে নয়।

জানপ্রাণ দিয়ে একটা নতুন চাকরি খুঁজতে লাগলাম।ছোটখাটো একটা নতুন চাকরি পেয়ে গেলাম। রিসিপশনিস্ট, বেতন খুবই কম। তারপর ও মোটামুটি নিরাপদ ছিল। বাকি সময় দু চারটা টিউশনি ও করতাম। টেনেটুনে মাসটা পার করে দিতাম। মেয়েটাকে একটা ভাল স্কুলে পড়ানোর খুব ইচ্ছে ছিল। কিন্তু সামর্থ্য ছিল না। এলাকার সাধারণ একটা স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিলাম। ভালই চলছিল আমাদের মা মেয়ের দিনগুলি।

কিন্তু আমার কপালে সুখ বেশিদিন সয় না। শাহেদ মেয়ের কাস্টোডির জন্য মামলা করেছে। আর সবাইকে বলে বেড়াচ্ছে “শায়লা আমার মেয়েটাকে আমার কাছে আসতে দেয় না”
অথচ কোনদিন ফোন দিয়ে মেয়েটার খোঁজ খবর নেয়নি। আমি খুব ভাল করেই জানতাম ও আমাকে শাস্তি দেয়ার জন্য এসব করছে, মেয়ের জন্য না। শ্বশুর বাড়ির লোকজন ওকেই সাপোর্ট দিচ্ছিল। আমার শাশুড়ি ফোন করে বললেন, “তুমি জাহান্নামে যাও, আমাদের নাতনীকে আমাদের কাছে দিয়ে যাও”

আমি আমার মেয়েকে আগলে রাখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পারলাম না। মামলায় হেরে গেলাম। মেয়ের কাস্টোডি পেলো ওর বাবা। আমার কলিজাটা ছিঁড়ে কলিজার টুকরাটাকে নিয়ে গেল। একটুও দয়া হয়নি তাদের। প্রতিদিন বাড়ির সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতাম, এক নজর মেয়েকে দেখার জন্য, ওরা দেখা করতে দিতো না। নতুন করে মামলা লড়বো, সেই টাকা পয়সা ও ছিল না আমার। আল্লাহর দরবারে মাথা ঠুকতাম, “আমি শুধু আমার মেয়েটাকে চাই, আর কিচ্ছু না ”

শাহেদ ফোনে আমাকে হুমকি ধমকি দিতো, “তোর সামর্থ্য আছে মেয়ের ভরণ পোষণ দেয়ার?? পারবি আমার মতো ইংলিশ মিডিয়ামে মেয়েকে পড়াতে?? ওর এক মাসে যা বেতন, তোকে বেচলেও তো অত টাকা হবে না। কোত্থেকে দিবি মেয়ের ভরণপোষণ??”

কিন্তু আমার জেদ চেপে গেল। আমার মেয়েকে আমি চাই ই চাই!!

কতজনের দ্বারে দ্বারে ঘুরলাম, ভিক্ষা চাইলাম কিন্তু কেউ ফিরে ও তাকায়নি। মানবাধিকার কমিশনে গেলাম। তারা আমার সব কথা শুনলেন, বুঝলেন। তারাই আমার হয়ে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করলেন। আমি যেন আশার আলো দেখতে পেলাম। অবশেষে শত কাঠখড় পুড়িয়ে এক বছর পর আমার বুকের মানিককে আমার বুকে ফিরে পেলাম।

এরপর শুরু হলো আমার নতুন যুদ্ধ। মেয়ের স্কুল বদলাইনি, ওকে আমি ইংলিশ মিডিয়ামেই পড়াবো। শাহেদকে আমি চ্যালেঞ্জ করেছিলাম, ওকে আমি দেখিয়েই ছাড়বো!!

চাকরির পাশাপাশি একটা বুটিকসের দোকানে নাইট শিফটে কাজ করতাম। সাথে ব্যাচে দু চারটা স্টুডেন্ট পড়ানো। দম ফেলার সময়টাও ছিল না। তাও নিজেকে কখনোই ক্লান্ত মনে হয়নি। মাথার উপর ছাদ ছিল না, পায়ের নিচে মাটি ছিল না। কিন্তু কখনো হাল ছাড়িনি আমি।

নিজে বেশি পড়ালেখা করতে পারিনি আমি। খুব ইচ্ছে ছিল মেয়েটাকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করবো। আজ আমার মেয়ে বিমান বাহিনীর ফ্লাইং অফিসার হিসেবে কর্মরত। আমার পরিশ্রম সার্থক। সারা দুনিয়াকে আমি দেখাতে পেরেছি, একা একটা মা ও সংগ্রাম করে মেয়েকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

“সেরা রত্নগর্ভা সম্মাননা “র জন্য আমাকে মনোনীত করা হয়েছে। আমি আমার মেয়েকে নিয়ে গর্ব করি। বাপের অর্থবিত্ত, ভোগ বিলাসিতার লোভে ও কখনোই আমাকে ছেড়ে যায়নি। বরং অভাব অনটনের মাঝেও এই বুকের সাথে আকঁড়ে ছিল। দামি পোশাক, খেলনা কিছুই দিতে পারিনি। কোন অভাব অভিযোগ ছিল না তার, হাসিমুখে সব মেনে নিতো। এমন একটা সোনার টুকরো রত্নগর্ভা মা চাই।

জানার কোন শেষ নাই ! কিছু অবাক করা তথ্যঃ

1) অক্টোপাসের দেহে তিনটি হৃদপিণ্ড আছে।
2) আপেল খেতে যতই স্বাদ লাগুক, আপেলের ৮৪ ভাগই জল।
3) এ মাত্র যিনি কলা খেলেন তার প্রতি মশার আকর্ষণ বেশী ।
4) এক কাপ কফিতে ১০০-এরও বেশি রাসায়নিক পদার্থ আছে।
5) এক ঘণ্টা চুইংগাম চাবালে শরীরে ৩০ ক্যালরি তাপ ক্ষয়।
6) গরুকে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠানো যায় কিন্তু নিচে নামানো যায় না ।
7) চিংড়ি শুধু পিছনের দিকে সাঁতার দিতে পারে।
8) চোখ খোলা রেখে ব্যাঙ কোন কিছু গিলতে পারে না।
9) জলের হাতি বা জলহস্তি জলের নিচে ৩০ মিনিট দম বন্ধ করে থাকতে পারে।
10) যখন চাঁদ সরাসরি মাথার উপর, তখন
আপনার ওজন সবচেয়ে কম।
11) ডলফিন এক চোখ খোলা রেখে ঘুমায়।
12) তোমার মতোই শিম্পাঞ্জিরাও হ্যান্ডশেক করে ভাব বিনিময় করে!
13) এক পাউন্ড বিশুদ্ধ তুলা থেকে ৩৩ হাজার মাইল লম্বা সুতা তৈরি সম্ভব !
14) পিঁপড়ার ঘ্রাণশক্তি কুকুরের চেয়ে বেশী।
15) পেঙ্গুইন একমাত্র পাখি যে সাঁতার কাটতে পারে কিন্তু উড়তে পারেনা।
16) পৃথিবীতে যে পরিমান সোনা আছে তা দিয়ে সম্পূর্ণ পৃথিবী ঢেকে দিলে হাঁটু পরিমান উচ্চতা হবে।
17) পৃথিবীতে যত লিপস্টিক আছে, তার বেশির ভাগই তৈরি হয় মাছের আঁশ।দিয়ে।
18) প্রজাপতির চোখের সংখ্যা ১২ হাজার!
19) ফড়িংয়ের কান মলে দিতে চাইলে কিন্তু একটু সমস্যা হবে। কারণ ফড়িংয়ের কান হাঁটুতে!
20) মাছেরও কাশি হয়।
21) মৌমাছির চোখ পাঁচটি।
22) মশার দাঁত ৪৭ টি।
23) শামুক পা দিয়ে নি:শ্বাস নেয়। শামুকের নাক চারটি ।
24) শরীরের পেছন দিক দিয়েও নিঃশ্বাস নিতে পারে কচ্ছপ।
25) হাতি একমাত্র স্তন্যপায়ী, যারা লাফ দিতে পারে না।
26) বয়স বাড়ার সাথে সাথে চোখের রঙ হালকা হয়ে যায়।
27) গড়ে একজন মানুষের চোখ বছরে ৪২লাখ বার পলক ফেলে।
28) মানবদেহে সবচেয়ে দীর্ঘ জীবন্ত কোষ হলো মস্তিস্কের কোষ (নিউরন)।
29) হাতের নখ, পায়ের নখের চেয়ে চারগুন দ্রুত বাড়ে।
30) মানবদেহের মোট হাড়ের ১/৪ অংশ পায়ে অবস্থিত!
31)প্রতি মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রে ৬জন সতেরোতে পা দেয়।
32) আপনি চোখ খুলে কখনোই হাঁচি।দিতে পারবেন না। বিশ্বাস না হলে এক্ষুণি চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
33) আপনি কখনো আপনার কনুই কামড়
দিতে পারবেন না । চেষ্টা করে দেখুন!
34) গ্যালিলিও দূরবীন আবিষ্কার করার।আগে মানুষ খালি চোখে আকাশে মাত্র পাঁচটি গ্রহ দেখতে পেতো!
35) আমরা তো গাছ থেকে সহজেই খাবার পাই। কিন্তু আমরা জানি কি এক পাউন্ড খাবার তৈরি করতে গাছের প্রায় ১০০ পাউন্ড বৃষ্টির জল খরচ করতে হয়।
√ভালো লাগলে শুধু একটা thnx জানাবেন √

রাঙ্গুনিয়ার ইতিহাস:

১৭৫৭ সাল থেকে চাকমা রাজন্যবর্গ শুকদেব রায়, শেরদৌলত খাঁ, জানবক্স খাঁ, টব্বর খাঁ, জব্বর খাঁ, ধরম বক্স খাঁ, রাণী কালীন্দি, হরিশ্চন্দ্র রায় প্রমুখ এ অঞ্চলে রাজত্ব করেছেন। ১৮৭৪ সালে চাকমা রাজা হরিশ্চন্দ্র রাজধানী রাঙ্গুনিয়ার রাজানগর হতে রাঙ্গামাটিতে স্থানান্তরিত করেন।
১৯৬২ সালের ২৪ জানুয়ারি পটিয়া ও রাউজানের কিছু অংশ নিয়ে রাঙ্গুনিয়া থানা গঠিত হয়। রাঙ্গুনিয়া থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৩ সালে। ২০০০ সালের ৪ঠা জুলাই রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা প্রতিষ্ঠা করা হয়।

রাঙ্গুনিয়া নামের উৎপত্তি কবে কীভাবে হল এ সম্পর্কে কৌতুহলের শেষ নেই। বলা হয়ে থাকে, আরাকানী রাজশক্তি মোগল রাজশক্তির সাথে যুদ্ধে পরাজিত হলে আরাকানী মগেরা তাদের অর্জিত ধন সম্পদ পরিত্যাগ করে এ অঞ্চল ছেড়ে পালিয়ে যায় এবং এর থেকে অঞ্চলের নাম হয় রাইন্যা । রাইন্যা একটি মগী শব্দ, যার অর্থ হল পরিত্যক্ত । পরবর্তীতে রাইন্যা শব্দ থেকে রইন্যা তথা রাঙ্গুনিয়া শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
আরেকটি মত হচ্ছে, এককালে এ অঞ্চলের লোকজন অধিক সংখ্যায় বার্মার রেঙ্গুন শহরে চলে যেত এবং এজন্য এ অঞ্চলকে
রেঙ্গুন্যা বলা হত, আর এ থেকেই
রাঙ্গুনিয়া নামের উৎপত্তি।
আসলে এই দুইটি মতই ঐতিহাসিকভাবে ভ্রান্ত বলে প্রমাণিত হয়েছে। চট্টগ্রামের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক জনাব হামিদুল্লাহ খাঁ কর্তৃক ফার্সি ভাষায় রচিত চট্টগ্রামের প্রাচীন ইতিহাস
আহাদিসুল খাওয়ানিন , যা ১৮৮১ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল এবং বর্তমানে এক কপি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। তাতে রাঙ্গুনিয়াকে রঙ্গীনা নামে উল্লেখ করা হয়েছে। রাঙ্গুনিয়ার বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও গবেষক মরহুম সৈয়দ আহমদুল হক রচিত প্রবন্ধ ‘বিচিত্রা’য় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফার্সি ভাষায়
রঙ্গীনা শব্দের অর্থ হল রঙে রঞ্জিত অর্থাৎ সৌন্দর্য্য। তাঁর মতে, রাঙ্গুনিয়ার মত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমণ্ডিত মনোরম স্থান দক্ষিণ এশিয়ায় আর নেই। চিরহরিৎ অনুচ্চ শৈল শিখর ও কর্ণফুলি নদী বিধৌত এ অঞ্চল সুলতানী আমলে পরিচিত ছিল
রঙ্গীনা নামে। পরবর্তীতে এই রঙ্গীনা শব্দ থেকেই রইন্যা বা রাঙ্গুনিয়া নামের উৎপত্তি হয়েছে।

কিছু শিক্ষনীয় বিষয় শিখে নিন কাজে লাগবে।

১। Internet আবিষ্কৃত হয় 1969 সালে।
২। Email আবিষ্কৃত হয় 1971 সালে।
৩। Hotmail আবিষ্কৃত হয় 1996 সালে।
৪। Google আবিষ্কৃত হয় 1998 সালে।
৫। Facebook আবিষ্কৃত হয় 2004 সালে।
৬। Youtube আবিষ্কৃত হয় 2005 সালে।
৭। Twitter আবিষ্কৃত হয় 2006 সালে।
৮। বিশ্বে ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯সালে
৯। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয়
১৯৯৩ সালে।
১০। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার সবার
জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
১১। বাংলাদেশে 3g চালু হয় 14
OCTOBER,2012।
১২। বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম
কম্পিউটার “IBM-1620 ‘ যা স্থাপিত হয়
বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনে ১৯৬৪
সালে।
১৩। ২১মে ২০০৬ সালে কক্সবাজারের
ঝিলংজা-তে ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের
মাধ্যমে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে
যুক্ত হয়।
১৪। বাংলাদেশর বিজ্ঞানীরা
প্রথমাবারের মতো ‘জীবনরহস্য‘ উন্মোচন
করেছেন মহিষের।
১৫। ২০১৩সালে দেশি পাটের জীবন রহস্য
উন্মোচনে নেতৃত্ব দেন ড মাকসুদুল আলম।
১৬। ১৯৮১ এপসন কোম্পানি সর্বপ্রথম
ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রচলন করেন তার
নামঅসবর্ন-১।
১৭। বিশ্বের একমাত্র কম্পিউটার জাদুঘরটি
অবস্থিতযুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়।
১৮। বাংলা সামাজিক মাধ্যম ‘‘বেশত‘‘ চালু
হয় ২৮ ফ্রেব্রু ২০১৩।
১৯। বাংলাদেশের ‘টেলিফোন শিল্প
সংস্থা লিমিটেড(টেশিস) কর্তৃক তৈরী
প্রথম ল্যাপটপ –এর নামদোয়েল।
২০। জাতিসংঘ রেডিও বাংলা যাত্রা শুরু
করে ২১ ফ্রেব্রু:২০১৩।
২১। বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্চিন
‘‘পিপীলিকা‘‘ উদ্ধোধন করা হয় ১৩এপ্রিল,
২০১৩।
২২। বাংলাদেশে দ্রুত গতির ইন্টারনেট
‘‘ওয়াইম্যাক্স‘ চালু হয় >>June,2009, Banglalion।
২৩। বাংলাদেশে কবে , কোথায় সাইবার
ক্যাফে চালু হয় ১৯৯৯ সালে,বনানীতে।
২৪। বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন
কোম্পানীর সিটিসেল ডিজিটাল, ১৯৯৩
সাল।
২৫। বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল
টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয় ৪ জানুয়ারী,
১৯৯০।
২৬। বাংলাদেশে কখন থেকে কার্ড ফোন
চালূ হয় ১৯৯২ সালে।
২৭। প্রথম ডিজিটার জেলা যশোর।
২৮। প্রথম ওয়াই ফাই নগর সিলেট।
২৯। সাইবার সিটি সিলেট।
৩০। প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ
মিঠাপুকুর ,রংপুর।
=> GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
=> BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
=> JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert
Group
=> PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
=> Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity
=> HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol
=> HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure
=> URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator
=> IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
=> VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized
=> UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication System
=> RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
=> AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
=> SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
=> AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate Codec
=> JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor
=> JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
=> MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
=> 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
=> 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
=> MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
=> SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module
=> 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
=> GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication
=> CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access
=> AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
=> SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
=> WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
=> WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
=> WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
1) GOOGLE : Global Organization Of Oriented
Group Language Of Earth
2) YAHOO : Yet Another Hierarchical Officious
Oracle
3) WINDOW : Wide Interactive Network
Development for Office work Solution
4) COMPUTER : Common Oriented Machine
Particularly United and used under Technical and
Educational Research
5) VIRUS : Vital Information Resources Under
Siege
6) UMTS : Universal Mobile Telecommunications
System
7) AMOLED: Active-matrix organic light-emitting
diode
8) OLED : Organic light-emitting diode
9) IMEI: International Mobile Equipment Identity
10) ESN: Electronic Serial Number
11) UPS: uninterrupted power supply
12) HDMI: High-Definition Multimedia Interface
13) VPN: virtual private network
14) APN: Access Point Name
15) SIM: Subscriber Identity Module
16) LED: Light emitting diode
17) DLNA: Digital Living Network Alliance
18) RAM: Random access memory
19) ROM: Read only memory
20) VGA: Video Graphics Array
21) QVGA: Quarter Video Graphics Array
22) WVGA: Wide video graphics array
23) WXGA: Wide screen Extended Graphics Array
24) USB: Universal serial Bus
25) WLAN: Wireless Local Area Network
26) PPI: Pixels Per Inch
27) LCD: Liquid Crystal Display
28) HSDPA: High speed down-link packet access
29) HSUPA: High-Speed Uplink Packet Access
30) HSPA: High Speed Packet Access.

আসালামু আলাইকুম।। লক্ষ্য অর্জনে সমন্বয় সাধন ও ঝুঁকি গ্রহণ উদ্যোক্তার একটি বড় গুণ This is called that the way to become entrepreneur উদ্যোগ ও উদ্যোক্তা কাকে বলে? একটি সংগঠন স্থাপনের প্রাথমিক প্রচেষ্টাকে উদ্যোগ বলে। এবং যিনি উদ্যোগ গ্রহণ করেন, তাকে উদ্যোক্তা বলে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ একজন সফল উদ্দ্যোগতা হওয়া
সপ্নঃ চাকরি করব না চাকরি দেব (মিনি
দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে বসবাসের কারনে নানা শ্রেনীপেশা ও নানান দেশের মানুষের সাথে উঠাবসার কারনে এটুকু বোধগম্য হয়েছে যে যতদিন রাষ্ট্র দেশের তরুন সমাজকে উদ্যোগী না করে তুলছে ততক্ষুন পযুন্ত রাস্ট্রের উন্নতি নেই। যার কারনে বাংলাদেশের বুকে ব্রেন ড্রেইন দিন দিন বাড়ছে।

উদ্যোক্তা হতে চান? নিজের পকেট শুন্য?
আসলেই কি উদ্যোক্তা হতে অনেক টাকা লাগে?
কত টাকা হলে সফল উদ্যোক্তা হতে পারবেন?
উদ্যোক্তা হতে টাকা লাগেনা,দরকার
মেধা,শ্রম,বুদ্ধি আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি। ইত্যাদি নানা প্রস্ন আমাদের মনে বাসা বাধে।

দেশে একটি বিশাল বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি হওয়ার পেছনে মূল কারণগুলোর একটি হলো উদ্যোক্তার অভাব। এই অভাবটি মূলত সৃষ্টি হয়েছে উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হতে না পারার ভীতির কারণে। আমরা অনেকেই ভাবি যে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হলে হয়তোবা প্রচন্ড রকমের সৃজনশীল হতে হবে কিংবা যুগান্তকারী একটি আইডিয়া থাকতে হবে। কিন্তু ব্যাপারটি আসলে সম্পূর্ণরূপে ওরকম না। সফল উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনে কাজ করে আরো অনেকগুলো বিষয়। তার মধ্যে একটি হলো কর্মপরিকল্পনা গুলোর সঠিক বাস্তবায়ন।

আপনি উদ্যোক্তা হতে চাচ্ছেন? ব্যবসা করতে চান? কিন্তু বুঝতে পারছেন না উদ্যোক্তা হওয়ার উপায়। ত চলুন আজকে সে নিয়ে আলোচনা করা যাক ।

ব্যবসায় উদ্যোগ ও উদ্যোক্তা: আমার মতে, অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার আশায় লোকসানের সম্ভাবনা আছে জেনেও। ঝুঁকি নিয়ে নির্দিষ্ট কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করাকে ব্যবসায় উদ্যোগ বলে।

এবং আগামীর ঝুঁকি এড়িয়ে চলার প্রস্তুতিপূর্বক লক্ষ্য অর্জন সাধনে। যে ব্যক্তি উদ্যোগ গ্রহণ করে সাহসিকতার পরিচয় দেয়। তাকে উদ্যোক্তা বলে।

ঝুঁকি গ্রহণ ব্যবসায় উদ্যোগের সাথে সম্পর্ক যুক্ত।

লক্ষ্য অর্জনে সমন্বয় সাধন ও ঝুঁকি গ্রহণ উদ্যোক্তার একটি বড় গুণ
আমি ব্যবসা করে সফল হতে পারবো তো?
আপনি হয়তো অনেকবার নিজেকে নিয়ে ভেবেছেন যে। ব্যবসা করে সফল হতে পারবেন কিনা।

আমি বলবো: আপনার চিন্তার পরিবর্তন করুন। অর্থাৎ এইভাবে ভাবুন! “সফল হওয়ার জন্য ব্যবসাই করতে হবে কিনা।”

আপনি যদি মনে করেন। আমি ভালো একটা কোম্পানিতে জব করছি। এবং দিব্যি সুখে আছি। তাহলে আপনি চাকরি করেও সফল ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন। (কারণ, সাফল্যের আরেক নাম: সুখ)।

আর যদি এমনটা ভাবেন যে। ৯ – ৫ টার নিয়ম-তান্ত্রিক চাকরির যাতাকলে পড়ে, সফল হওয়া সম্ভব না। তাহলে আপনাকে অবশ্যই পেশন হিসেবে কোন না কোন ব্যবসা করতেই হবে।

স্মল বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন (SBA) নামের একটি প্রতিষ্ঠানের করা প্রতিবেদন অনুযায়ী। 30% উদ্যোগ প্রথম দুই বছরের মধ্যে ব্যর্থ হয়। এবং 50% উদ্যোগ ব্যর্থ হয়, প্রথম পাঁচ বছরে। ( তবে, এই পাঁচ বছরে যারা তাদের নির্ধারিত ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারে। প্রকৃতপক্ষে তাদের অধিকাংশরাই সফল হয় )।

অদম্য স্বপ্ন ও ইচ্ছা-শক্তি নিয়ে চেষ্টা করলে, আপনি ঠিকেই সফল হতে পারবেন।
ঝুঁকি এড়িয়ে চলে উদ্যোগ গ্রহণের সাহসিকতা হলো: আসল ব্যাপার। মনে রাখবেন। আল্লাহ্ তা’য়ালা কখনো কাউকে অসীম প্রতিবন্ধকতার মাঝে রাখে না। তাই বলে এই না যে, সফল ব্যক্তিরা কখনো ঝুঁকির সম্মুখীন হননি।

বরং তারা জানতো: সফলতার একটি বড় প্রতিদ্বন্দী শব্দ হলো- ব্যর্থতা। এবং জীবণে চলার পথে। ব্যর্থতার গ্লানি সহ্য করতে করতে একটা সময়। ঠিকই সফলতাকে নিজের জীবণের জন্য সুনিশ্চিত করা সম্ভব।

সফল ব্যক্তিরা এই উক্তিতেও বিশ্বাস করে: “পৃথিবীতে এমন কোন সমস্যার জন্ম হয়নি। যার কোন সমাধান সম্ভব ছিলনা।” এমনকি আজ থেকে আগামী পর্যন্ত যতো রকমের সমস্যার সৃষ্টি হবে। সেটারও ঠিক কোন না কোন, সমাধানের উপায় থাকবে।

অর্থনৈতিক সমস্যা দূরীকরণে, আপনাকে কিছু তো করতেই হবে। আর কিছু যেহেতু করতেই হবে। তাহলে ব্যবসা কেন নয়?

সততার সাথে ব্যবসা করলে। আপনি সফল হবেনই। ইনশাআল্লাহ্
সুতরাং এখন থেকেই লাভজনক কোন ব্যবসার উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা শুরু করুন। তারপর সঠিক নিয়ম-নীতি ও পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত করুন।

কেন উদ্যোক্তা হবেন?
সাধারণত চাকরির ক্ষেত্রে আপনার বস্ যেরকম সিদ্ধান্ত দিবে। আপনাকে ঠিক সেরকমটাই মানতে হবে। এক্ষেত্রে নিজের সিদ্ধান্তে থাকার অধিকার বা স্বাধীনতা। যেটাই বলুন না কেন! কোনটাই বস’র কাছে গ্রহণীয় নাও হতে পারে।

অপরদিকে স্বউদ্যোগে ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করলে। ব্যবসার মালিকানা আপনাকে স্বাধীনতা ও ক্ষমতায়ন প্রদান করতে সক্ষম। কারণ, নিজস্ব মালিকানা উদ্যোক্তাদেরকে নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা, সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি উপলদ্ধি গঠণ। এবং অন্যান্য উদ্যোক্তাদের সাথে ভাল সম্পর্ক গঠনের সুযোগ প্রদান করে থাকে।

কারো অধীনে কাজ করার চেয়ে স্বউদ্যোগে পছন্দমতো কর্মসংস্থান তৈরি করে নেওয়া উত্তম। এতে করে নিজস্ব ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা এবং জীবণের লক্ষের উপর ভিত্তি করে ক্যারিয়ার গঠন করা যায়।

একজন উদ্যোক্তা নিজের আত্নকর্মসংস্থান। এবং চাইলেই, অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে। সুতরাং সফল হতে হলে, উদ্যোক্তা হওয়া প্রয়োজন।

আমাদের দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা হলো। অধিকাংশ মানুষ তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ খুজে পায়না। তাই ভালো একটা কোম্পানীতে চাকরি পাবার আশায় ব্যস্ত না থেকে। এখন থেকেই ভালো একটা ব্যবসার উদ্যোগ নিন।

এবং কোন কোম্পানিতে চাকরির ইন্টারভিউ এর জন্য। যে সময় ও পরিশ্রম ব্যয় করতেন। সেই সময়টা ব্যবসা পরিচালনার কাজে মনোনিবেশ করুন।

দেখবেন; বেকারত্ব আপনার থেকে দূরে পালিয়ে যাবে। এবং আপনার অন্যান্য চাকরিরত বন্ধুদের তুলনায়। আপনি শতগুণ বেশি সাকসেস হতে পারবেন।

উদ্যোক্তা হওয়ার উপায় বা
কিভাবে সফল উদ্যোক্তা হবেন?
উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য বয়স শীথিলযোগ্য। অর্থাৎ আপনার দক্ষতা থাকলে যেকোন বয়সেই নির্দিষ্ট কোন ব্যবসার উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে। উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব।

সত্যিকারার্থে বলতে গেলে। উদ্যোক্তা হওয়ার বিশেষ কোনও মুহূর্ত বা কাল নেই। একজন ব্যক্তি যেকোনো সময় নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।

তবে, উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য কয়েকটি শর্ত, নিয়ম-নীতি ও কৌশলের প্রয়োজন। যেগুলো সংক্ষিপ্ত আকারে লিখলাম।

উদ্যোক্তা হওয়ার শর্ত:
* ইচ্ছা শক্তি: উদ্যোক্তা হওয়ার প্রথম শর্ত হলো। ব্যবসা স্টার্টআপ করতে হলে। প্রথম থেকেই আপনার প্রচন্ড “ইচ্ছা শক্তি” থাকতে হবে।

* আত্মবিশ্বাস: একজন উদ্যোক্তা হবার প্রধান শর্ত হচ্ছে। নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে। ব্যবসার শুরু থেকেই বিশ্বাস করতে হবে। আপনি যা করতে যাচ্ছেন। বা যা কিছু করছেন। এসব কিছুই আপনার সফল হওয়ার জন্য অত্যাবশ্যকীয়।

* মানসিক স্থিতিশীলতা: অধিকাংশ উদ্যোক্তাদের ব্যর্থ হওয়ার জন্য তারা নিজেরাই দায়ী। কারণ, তারা কোন একটি কাজে হঠাৎ করেই উদ্যোগ নেয়। এবং ভবিষ্যত ফলাফলের কথা ভাবার জন্য। পর্যাপ্ত সময় নিয়ে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়না।

সুতরাং, সফল উদ্যোক্তা হতে হলে। কোন কাজে তড়িগড়ি করে সিদ্ধান্ত নিবেন না। বরং নিজের মানসিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সচেষ্ট হন। কিন্তু একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন। কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ধরে ভাববেন না। এতে করে কাজের কাজ কিছুই হবে না।

মনে রাখবেন: ব্যর্থতা ছাড়া সফলতা কখনোও সম্ভব না। তবে আসল কথা হলো। যেখানে ব্যর্থতার শেষ। সেখান থেকেই সফলতার শুরু।

সুতরাং একজন উদ্যোক্তা হওয়ার শর্ত হলো। নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস, মানসিক স্থিতিশীলতা, প্রচেষ্টা, ও দৃড় মনোবলতার সাথে কাজ করা।

উদ্যোক্তা হওয়ার নিয়ম-নীতি
উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আপনাকে কয়েকটি বিষয় জানতে হবে। যেগুলো ধাপে ধাপে অনুসরণ করলে। আপনি একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন। বিষয়গুলো জেনে নেওয়া যাক:

** আইডিয়া: উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি কি করবেন। বা কোন বিষয়ে উদ্যোগ নিবেন। এর জন্য ভালো আইডিয়া জেনারেট করার সৃজনশীল চিন্তা-শক্তি থাকতে হবে।

** প্রস্তুতি গ্রহণ: ব্যবসা করা তখনই রিস্ক। যখন এটা আপনি না জেনে করবেন। কারণ, আপনি যদি সাতার না জেনে পানিতে নামেন। রিস্ক তো হবেই। সুতরাং যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ পূর্বক যে কোন কাজের উদ্যোগ নিলে। আপনি সফল হতে পারবেন।

** বিনিয়োগের যোগান: মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে বেড়ে উঠা অধিকাংশ উদ্যোক্তাদের জন্য। সবচেয়ে বড় বাধা হলো। পরিমিত ও প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ বা ইনভেস্ট করার সামর্থ থাকেনা।

এক্ষেত্রে আপনাকে অন্য রকম করে ভাবতে হবে। অর্থাৎ ধরুন, আপনি এমন একটি উদ্যোগ নিলেন। যা বাস্তবায়ন করার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় ১০০০০০ (এক লক্ষ) টাকার প্রয়োজন। কিন্তু আপনার কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে টাকা নেই।

তাহলে আপনার বিজনেস মডেল বা প্রজেক্টকে। বিনিয়োগকারীদের কাছে উপস্থাপন করুন। সেক্ষেত্রে এমনভাবে উপস্থাপন করবেন। যেন বিনিয়োগকারীরা আপনার প্রজেক্ট দেখে ইনভেস্ট করতে আগ্রহী হয়। এবং সেই সাথে এমন কিছু ভবিষ্যত পরিকল্পনার রোল তৈরি করবেন। যেগুলো জানার পর, ইনভেস্টকারীরা। আপনার প্রজেক্টে বিনিয়োগ করে আশ্বাস পায়।

আর হ্যাঁ! যদি এমন হয়। আপনার কাছে ইনভেস্ট করার মতো। পর্যাপ্ত পরিমাণে অর্থের যোগান রয়েছে। সেক্ষেত্রে কখনই স্বর্বস্ব ব্যয় করবেন না।

যদি ইনভেস্ট করার মতো ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা থাকে। তাহলে চেষ্টা করবেন, ৬০,০০০ (ষাট হাজার)টাকা ইনভেষ্ট করতে। অর্থাৎ ব্যবসায় উদ্যোগের প্রাথমিক পর্যায়ে আপনার সঞ্চিত আয়ের ৬০%ইনভেষ্ট (ব্যয়) করুন। বাকিটা আগামীর অনাকাঙ্খিত ঝুঁকি এড়াতে সঞ্চিত রাখুন। আরো পড়ুন, ধনী হওয়ার উপায়

শেষ করার আগে, আপনাকে এতটুকু বলতে চাই। আমরা অনেক রকমের স্বপ্ন দেখি। বা মুটিভেশন করে স্বপ্ন দেখাই। কিন্তু অধিকাংশরাই জানে না। কিভাবে স্বপ্নগুলোকে বাস্তবায়ন করতে হয়।

তাই, কারো আশায় না থেকে। আল্লাহর উপর ভরসা করে। নিজের স্বপ্নকে নিজেই বাস্তবায়ন করতে উদ্যোগী হন। এবং জীবণে বলার মত একটা গল্প তৈরি করতে শিখুন।
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
মোটকথা :
আপনি আপনার ঘোড়াটিকে শক্ত খুটিতে বাঁধুন এবং পাশাপাশি আল্লাহর উপরে ভরসা রাখুন।।সফলতা আসবেই ইনশাল্লাহ।
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
আল্লাহ হাফেজ

সরকারপ্রধান হিসেবে ভারতের ইন্দিরা গান্ধী, ব্রিটেনের মার্গারেট থ্যাচার ও শ্রীলংকার চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গার রেকর্ড ভেঙে বিশ্বের বিখ্যাত শীর্ষ নারী শাসকের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সরকারপ্রধান হিসেবে ভারতের ইন্দিরা গান্ধী, ব্রিটেনের মার্গারেট থ্যাচার ও শ্রীলংকার চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গার রেকর্ড ভেঙে বিশ্বের বিখ্যাত শীর্ষ নারী শাসকের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নারী হিসেবে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকা ও বিশ্বে পরিচিতির দিক বিবেচনায় এ তালিকা করা হয়েছে। উইকিলিকসের সাম্প্রতিক এক জরিপের বরাত দিয়ে সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর ) এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় বার্তা সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়া।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। প্রথম মেয়াদে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন শেখ হাসিনা। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। এরপর ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও নিরঙ্কুশ জয় পায় তার দল আওয়ামী লীগ। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী পদে ১৫ বছরেরও বেশি সময় পার করে ফেলেছেন তিনি।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৫ বছরের বেশি ক্ষমতায় ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। মার্গারেট থ্যাচার ব্রিটেন শাসন করেছেন ১১ বছর ২০৮ দিন। আর চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট দু’ভাবেই ক্ষমতায় ছিলেন ১১ বছর ৭ দিন।

জরিপ অনুসারে, সেন্ট লুসিয়ার গভর্নর জেনারেল ডেম পারলেট লুইজি সবচেয়ে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকা নারী। তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ২০ বছর ১০৫ দিন দেশ শাসন করেছেন। আইসল্যান্ডের ভিগডিস ফিনবোগডোটিয়ার ক্ষমতায় ছিলেন ১৯৮০ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত প্রায় ১৬ বছর। তবে বিশ্ব রাজনীতিতে এ দুই নেতা খুব বেশি পরিচিত ছিলেন না।

“স্ট্যাটাস অব দ্যা ডে” নাম্বার-1 আমার কিছু অভিজ্ঞতা।

নিজেকে নিয়ে ভাবতাম।ভাবতে ভালো লাগত আমার।লাজুক স্বভাবের এই আমি মুখ ফুটে উচ্চারণ করতে পারিনি কখনো।স্বপ্ন দেখতাম-শুটকোর্ট পরা একজন ভদ্রলোক হব আমি।ঘুর্ণি চেয়ারে বসে বড় অফিসে কাজ করব সারাদিন।লোকজন আসবে স্টাইল করে তাকাবো, সুন্দর করে কথা বলব।ফিটফাট থাকব আমি।সিমসাম পরিবেশে সময়টা পার করে দেব।
ভাবতাম শিক্ষক হব।আমার মা ও এ স্বপ্নটা দেখত। লজিং থাকব। ছেলেমেয়েদের পড়াব। একসময় শিক্ষক হব।আমার স্বপ্নটাও অনেকটা এমন ছিল।শিক্ষা দেওয়ার চাইতে শিক্ষা নিতে খুব ভাল লাগত আমার।সময়ের পরিবর্তনে তাতে এল পরিবর্তন। মা চলে গেলেন না ফেরার দেশে। আমার ভাবনা আর স্বপ্ন মোড় নিল অন্যখানে।
ভাবতাম কিছু একটা করতে হবে আমাকে।কি করতে হবে তখনো তা জানা হয়নি।ব্যবসার চিন্তাটা এসেছিল স্কুল জীবন থেকেই।দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার গল্প শুনে।তবে ঐযে মুখ ফুটে উচ্চারণ করতে আর পারিনি। করতে পারিনি কিছুই।
ইন্টার্মিডিয়েট পাস করার পর ইচ্ছা জাগল শহরের কলেজে পড়ব।পেলাম অনেক বাঁধা তবু থেমে নেই আমি। নিজের ইচ্ছায় করলাম তাই।শহরের কলেজ থেকে বিবিএস শেষ করলাম।এমবিএস ভর্তি হলাম।জীবনটা পুরোই বদলে গেল।সঙ্গে সঙ্গে চাকরি হয়ে গেল-স্বপ্ন রয়ে গেল, বদলে গেল জীবন চলার ধরন।
চাকরি জীবনে এসে নানান চড়াই উতরাই পেরিয়ে চালিয়ে নিচ্ছি জীবন।জীবন চলছে শুধু হচ্ছে না জীবনে বলার মত কিছু।এটা আমাকে পোড়ায়।জীবনে এমন কিছু করে যেতে চাই, যাতে আমি তৃপ্ত হই তৃপ্ত হয় যেন আমার আসে পাশের মানুষজন।কখনো চাকুরি করতে ভাল লাগে আবার কখনো নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে কিছু একটা করতে।সবশেষে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেল্লাম কিছু একটা করব।চাকরি করছি, করছি কিন্তু মনে মনে দানা বাধছি কিছু একটা করব। আমার চাকরির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সিদ্ধান্ত নিলাম-এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যবসায় করব।
শুরু হল আমার নতুন পথচলা।একদিকে চাকরি চলছে অন্যদিকে মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে কিভাবে ব্যবসাটা চালু করা যায়।এ বিষয়ে নিতে থাকলাম নানান প্রশিক্ষণ।এই প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে হল নতুন অভিজ্ঞতা।অমায়িক সব মানুষের সাথে শুরু করলাম মেলামেশা।এই প্রশিক্ষণ থেকে লক্ষ্য করলাম তারাও ব্যবসায় করছে।দারুন ব্যবসায়।উদ্যোক্তা তৈরির কর্মশালা।অজানা অনেক কিছু হয়ত শিখলাম কিন্তু মনে পিড়া দিল একটি বিষয়। দিন শেষে তারাও ব্যবসায়ী।
একদম শর্টকার্টে শিক্ষা দিয়ে প্রতি সপ্তাহে তারা লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে।আমার কাছে কেমন যেন স্বার্থানেষি মনে হল।
অনলাইনে ঘুরাঘুরি করতে করতে পেয়ে গেলাম “নিজের বলার মত একটা গল্প” পেলাম একজন নিঃস্বার্থ মানুষ।এতদিনের সমস্ত অভিজ্ঞতাকে জলাঞ্জলি দিয়ে আবার নতুন করে শুরু করলাম নিজেকে গড়ায়।এবার ব্যবসায় নয়। শুধু ভাল মানুষ হওয়ায়।আগে আমি একজন ভালো মানুষ তারপর একজন সফল ব্যবসায়ী।প্রিয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারকে অনুসরণ করতে লাগলাম-বুকে পেলাম অন্যরকম সাহস।এবার কিছু একটা আমাকে করতেই হবে।আমি পারব এই বিশ্বাসে পথ চলছি।সাহস পাচ্ছি চাকরির পাশাপাশি কিছু একটা করতে।এমন কাজে তাই আমাদের এই
প্রিয় প্লাটফর্মকে স্মরণ না করে কোন উপায় নাই।উপায় নাই প্রিয় স্যারকে শ্রদ্ধা না জানিয়ে।
আজ এ পর্যন্তই।